তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসুচীর মাধ্যমে অনেকাংশেই জলাবদ্ধতা কমেছে| ময়মনসিংহের ৬০ ভাগ রাস্তায় এখন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে না| অচিরেই ৪০ ভাগ রাস্তায় জলাবদ্ধতা নিরসনের সমস্যাও কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে| এজন্য সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি|

আজ মঙ্গলবার বিকেলে নগরীর টাউনহল তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে হতদরিদ্র ও অ¯^চ্ছল পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন| তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান সরকার বাংলাদেশের বিভিন্ন উপজেলা এবং সিটি কর্পোরেশেনের বিভিন্ন ওয়ার্ডে উন্নয়ন কার্যক্রম করে যাচ্ছে| ইদানীং শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল| প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সারা বাংলাদেশে জলাবদ্ধতা নিরসনে ইতোমধ্যে খাল খননসহ বিভিন্ন কর্মসুচীর মাধ্যমে অনেকাংশেই জলাবদ্ধতা কমাতে সক্ষম হয়েছি|’ তিনি বলেন, অতিতে ঢাকা শহরের অনেক রাস্তা ও ময়মনসিংহ নগরীতে বৃষ্টি হলেই রাস্তা ডুবে যেতো| কিন্তু সিটি প্রশাসকের গৃহীত তৎপরতায় এখন ময়মনসিংহের ৬০ ভাগ রাস্তায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে না| অচিরেই ৪০ ভাগ রাস্তায় জলাবদ্ধতা নিরসনের মাধ্যমে কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে|

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘বিএনপি নির্বাচনী ইসতেহারে কিছু কিছু পরিকল্পনা ও প্রস্তাব করেছিলো এবং কিছু কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল| তারমধ্যে ছিল মা-বোনদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড | আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট কর্মসুচীর বাস্তাবায়ন করার সুযোগ হয়েছে|’ তিনি বলেন, ‘১৬ মে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাথে আমরা ময়মনসিংহের নান্দাইলে চর বেতাগৈর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধন করেছি| ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের মধ্যদিয়ে ময়মনসিংহকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে| ইনশাল্লাহ খুব শিগগিরই ময়মনসিংহের সকল উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করার প্রস্তুতি গ্রহণ করছি| বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু করবো| সাথে সাথে কৃষক কার্ডও বিতরণ শুরু করা হবে|’ ঈদের পর কৃষক কার্ড বিতরণ করতে পারবো বলেও জানান তিনি|

সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ কর্মসুচীর প্রসংশা করে তিনি বলেন, ‘সিটির প্রশাসক যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, আমি এমন নজীরবিহীন উদ্যোগ খুবই কম দেখেছি| দেশের কোনো সিটি কর্পোরেশেনে এভাবে অনাড়¤^র অনুষ্ঠানে প্রায় পাঁচ হাজার পরিবারের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ নজীরবিহীন|’ তিনি বলেন, ‘আপনারা সচেতন থেকে ভবিষ্যতেও রোকুনোজ্জামান রোকনের সাথে থাকবেন| তিনি যেন সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারেন, সেদিকে আপনারা নজর দিবেন| সেই অনুরোধ ও আহ্বান জানাচ্ছি|

দুইদিন পর ঈদ উদযাপনের কথা উল্লেখ করে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেকেই কুরবানি দিবেন| কুরবানির পশুর বর্জ্য যেন যত্রতত্র না ফেলি, রাস্তায় যেন দুর্গন্ধ বা পরিবেশের কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য সবাইকে যথাস্থানে বর্জ্য ফেলার আহ্বান জানান তিনি| তিনি বলেন, ‘বাড়িতে নিজস্থানে নিজের এলাকায় এই বার্তা পৌছে দেবেন, আমরা যেন কেউ কুরবানির বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া না ফেলি| আমরা যেন পরিবেশ দূষণ না করি| পরিবেশের যেন ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য যেসব পদক্ষেপ নেয়া হবে সেদিকে সবাই নজর দিতে হবে|’







